শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সম্প্রীতির আহ্বানে নবজাগরণ: সারা দেশে বরণ করে নেওয়া হলো নতুন বছর ১৪৩৩ নেছারাবাদে মসজিদের টাকা আত্মসাৎ ও জমি দখলের অভিযোগ সাবেক সচিবের বিরুদ্ধে। নেছারাবাদে খাল খননের উদ্যোগের মাঝেই ভরাটের অভিযোগ, তানভীর মহরির বিরুদ্ধে কোচিং সেন্টার শতভাগ বন্ধ করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী বরিশালে ষড়যন্ত্রের শিকার স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সজিব-অপপ্রচারের অভিযোগ! নেছারাবাদের নান্দুহার বাজারে তুচ্ছ ঘটনায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাংচুর। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহাদয়ের দৃষ্টি আকর্ষন হ্যান্ডবিলেই মিলল খুনের ক্লু, দূরদর্শিতায় প্রশংসায় ভাসছেন নেছারাবাদ থানার ওসি মেহেদী হাসান পিরোজপুরের নেছারাবাদে মাথাবিহীন লাশ উদ্বার।গ্রেফতার ১। যারা বলে টুপি ছাড়া নামায হয় তারা ধোঁকাবাজ- ছারছীনা পীর।

শামসুল আলম ঐতিহ্যবাহী নেছারাবাদের অহংকার। 

শামসুল আলম ঐতিহ্যবাহী নেছারাবাদের অহংকার।

এস এম সরোয়ার, নিজস্ব প্রতিবেদনঃ

শামসুল আলম জন্মগ্রহণ করেন পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার চিলতলা গ্রামে। তবে যৌবনের শুরুতে তিনি কিছুটা সময় কাটিয়েছেন গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জে শীতলক্ষ্যার পাড়ে সর্ষে ফুল, মৌমাছি, প্রজাতির সাথে; আর শীতলক্ষ্যায় সাঁতার কেটে কেটে। এরপর তিনি ঢাকায় স্থায়ী হন।
শামসুল আলম জমিদার মাহমুদ রাজার অষ্টম অধস্থন পুরুষ। তার দাদা জনাব মুসলেম আলী আকন ছিলেন জজকোর্টের জুরিবোর্ডের সম্মানিত সদস্য। পরে তিনি শিক্ষক হিসেবে মানুষগড়ার কাজে অংশীদার হন। নানা জনাব হাসান উদ্দিন আহমেদ সেনাবাহিনী থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নিয়ে শিক্ষকতার মহান পেশায় নিজেকে নিযুক্ত করেন। পিতা এ কে এম মোজাম্মেল হক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করার সাথে সাথে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেছেন। আমৃত্যু তিনি বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত থেকে সমাজে আলো ছড়িয়েছেন। গণকপাড়া বাজার, মসজিদ, মন্দির এবং ইউনিয়ন পরিষদ তার নিজের জায়গায় প্রতিষ্ঠিত। সম্প্রীতির এমন দৃষ্টান্ত আজকাল আমাদের সমাজে খুব কমই দেখা যায়। মাতা ছিলেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষয়িত্রী।
শামসুল আলম বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। নব্বইয়ে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা। এরপর যেখানে-ই অন্যায় দেখেছেন, সেখানেই তিনি প্রতিবাদ করেছেন। এ কারণে তাকে বহুবার বিপদেও পড়তে হয়েছে। কিন্তু কোনো কিছুই তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি।
তিনি কর্মজীবন শুরু করেন বাংলাদেশের সবচেয়ে নামকরা কলেজ ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে শিক্ষকতার মধ্যদিয়ে। পরে তিনি অধ্যাপনা করেছেন ঢাকার একধিক কলেজে। তিনি সদর্পে বিচরণ করেছেন বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে। তিনি নিয়মিত লেখালেখি করেছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় কিছু দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকায়। তিনি বেসরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত দেশের একমাত্র বিশুদ্ধ বাংলা শেখার প্রতিষ্ঠান লহরি একাডেমি’র পরিচালক এবং শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান এডুকেশন রিসার্চ ফাউন্ডেশন (ই. আর. এফ) এর সম্মানিত চেয়ারম্যান।
লেখালেখির জন্য মাত্র আঠারো বছর বয়সেই তিনি ‘পিঙ্গল সাহিত্য পুরস্কার’ লাভ করেন। তিনি অনেকগুলো সমাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে যুক্ত। মানবিক যেকোনো বিষয়ে তিনি খুবই সংবেদনশীল। এটা নিয়ে অনেক কিংবদন্তি প্রচলিত আছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুক পেজ