মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
নেছারাবাদে গাজা সেবনের দায়ে একজনকে জেল জরিমানা। পিরোজপুরের নেছারাবাদে একই রাতে তিন বাসায় ডাকাতি, আতঙ্কিত এলাকাবাসী মৎস্য সম্পদ রক্ষায় নেছারাবাদে বিশেষ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট সালিশি বৈঠকে অনুপস্থিত ইউপি সদস্য স্বপন সরদার, মুঠোফোনও বন্ধ! আসন্ন নেছারাবাদ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নেছারাবাদ উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য প্রার্থী কেরানীগঞ্জে বুড়িগঙ্গা থেকে ৩ নাবিকসহ ড্রেজার উধাও: ১৮ ঘণ্টা পর নাবিকরা ফিরলেও ড্রেজার নিখোঁজ।। নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. ওয়াহিদুজ্জামানের জানাজা সম্পন্ন দেওয়ানগঞ্জে অবৈধ ভাবে কৃষিজমির মাটি কেটে বিক্রি, মিজানের ১ বছরের কারাদণ্ড বিশিষ্ট রাজনৈতিক বীর, মাটি ও মানুষের নেতা ওহিদুজ্জামান ওয়াহিদ আর নেই। তিনি ছিলেন নেছারাবাদবাসীর ভালবাসার প্রতীক নেছরাবাদে প্রধান শিক্ষকের দ্বায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ।

হয়রানির বিরুদ্ধে ইটভাটা মালিক শ্রমিকদের বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান

হয়রানির বিরুদ্ধে ইটভাটা মালিক শ্রমিকদের বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান

গাইবান্ধা থেকে মোঃ সবুজ মিয়া।
ইটভাটায় মোবাইল কোর্ট, জরিমানা ও ভাং চুরের বিরুদ্ধে গাইবান্ধার ভাটা মালিক ও শ্রমিকরা বিক্ষোভ মিছিল ও জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে। মঙ্গলবার জেলার সব ইট ভাটার হাজার হাজার শ্রমিক ও মালিকরা জেলা শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেন। পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বরাবরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। স্মারকলিপি গ্রহণ করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) একেএম হেদায়েতুল ইসলাম। গাইবান্ধা জেলা ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির ব্যানারে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
স্মারকলিপি প্রদান পূর্ব জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে সমাবেশে বক্তব্য দেন মেসার্স এবিডি ব্রিকসের স্বত্ব্বাধিকারী আকতার আমিন বাবলা, ফ্রেন্ডস্‌ ব্রিকসের স্বত্বাধিকারী খাদেমুল ইসলাম জুয়েল, এমএসবি ব্রিকসের স্বত্বাধিকারী নওশের আলম ও আনোয়ারুল কাদির ফুল মিয়া প্রমুখ।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, গাইবান্ধাসহ সারাদেশে ইট ভাটা মালিকরা প্রশাসনসহ বিভিন্ন মহলের হয়রানির শিকার। এই খাত থেকে হাজার হাজার কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব আয় হয়ে থাকে। অথচ নানা অজুহাতে ইট ভাটাগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়। তারা অবিলম্বে হয়রানি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, পূর্বে ইট ভাটার দূষণমাত্রা ছিল ৫৮ শতাংশ, বর্তমানে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ফলে ৫ থেকে ১০ শতাংশে নেমে এসেছে। বিদ্যমান জিগজাগ ইটভাটায় উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরিবেশ দূষণ কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। উপরন’ ইট ভাটায় কর্মরত ৫০ লাখ শ্রমিক ২ কোটি মানুষের রুটি রুজির সংস্থানন করছে। এছাড়াও ইট ভাটা থেকে বছরে হাজার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হচ্ছে। কিন্তু ইটা ভাটা মালিকদের মাঝে মাঝেই হয়রানি করা হয়, ইট ভাটা ভেঙে দিয়ে জরিমানা করা হয়। পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রেজওয়ান হাসান অত্যন্ত আন্তরিক হলেও বর্তমানে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে জিগজাগ ইট ভাটার সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। ইট ভাটাকে শিল্প হিসেবে ঘোষণা, ইট ভাটায় হয়রানি ও মোবাইল কোর্ট বন্ধ, মাটি কাটার জন্য জেলা প্রশাসকের প্রত্যয়নপত্র নেওয়ার বিধান বাতিল, ইট ভাটা পরিচালনায় দীর্ঘ মেয়াদী পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রণয়ন ও পরিবেশগত ছাড়পত্র, জেলা প্রশাসকের লাইসেন্স, ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্সসহ অন্যান্য কাগজপত্রাদি নবায়নের সময় কেন্দ্রীয় ইট প্রস্ততকারী মালিক সমিতির প্রত্যয়নপত্র বাধ্যতামূলক বিধান করার উদ্যোগ নেওয়ার আহবান জানানো হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুক পেজ