আরিফ বিল্লাহ নেছারাবাদ(পিরোজপুর) প্রতিনিধি:
গত বুধবার ২৫ মার্চ সন্ধ্যা সাতটার দিকে নেছারাবাদ উপজেলার নান্দুহার বাজারে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৬) মার্চ সকালে ঘটনার বিষয় নান্দুহার বাজারের সাধারণ সম্পাদক শওকত ওসমান বাদি হয়ে ৯ জনকে আসামি করে এবং ৪০-৫০ জন অজ্ঞাত আসামি কর এজাহার দায়ের করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (২৫) মার্চ রাতে ২৫/৩০টি মোটর সাইকেলে ৪০ থেকে ৫০ জন লোক দেশীয় অগ্রসস্ত্র নিয়ে উপজেলার সুটিয়াকাটি ইউনিয়নের নান্দুহার বাজারে প্রবেশ করে দোকানপাটে হামলা ও ভাংচুর চালায়। ঘটনার সময় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। হামলাকারীরা প্রায় ১৫-২০টি দোকান ভাঙচুর করে লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধন করেছে।
তথ্য নিয়ে জানা যায়, হামলার পূর্বের দিন মঙ্গলবার হামলাকারীদের মধ্যে ৪জন লোক নান্দুহার বাজারে দুটি মোটরসাইকেল যোগে প্রবেশ করেছিল। তখন মোটরসাইকেল আরোহীরা উচ্চ শব্দে হর্ণ বাজায়, ইহাতে স্থানীয় লোকজন ও দোকানদাররা নিষেধ করায় তারা ক্ষিপ্ত হয় এবং তাদের মধ্যে কথার কাটাকাটি এবং একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরবর্তী দিন বুধবার সন্ধ্যার পরে আনুমানিক ৬০- ৭০ জন তরুণ সঙ্ঘবদ্ধভাবে তারা বাজারে গিয়ে এলো পাথরে ভাঙচুর করে বলে জানান ক্ষতিগ্রস্তরা।
ভুক্তভোগী দোকান ভিটির মালিক নুসরাত বলেন, নান্দুহার বাজারে আমার ৭টি দোকান আছে। দোকান ভাংচুরে সংবাদ পেয়ে বাজারে গিয়ে দেখি প্রায় পাঁচটি দোকান ভাংচুর করে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেছে। দোকানের মালামাল নষ্ট করেছে। হামলাকারিয়া কি কারণে আমার দোকান ভাংচুর করেছে আমার জানা নেই আমার সাথে তাদের কোন বিরোধ নেই আমি এর সঠিক বিচার চাই। ব্যবসায়ী লক্ষণশীল বলেন, আমরা দোকানে বসা ছিলাম হঠাৎ অনেকগুলো মোটরসাইকেলে করে করে ৪০-৫০ জন লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমাদের বাজারে হামলা করে আমার দোকান ভাঙচুর করে এবং আমাকে ও অন্যান্য দোকানদারদের মারধর করে।
বাজারের অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান হামলাকারীরা আমাদের দোকান ভাংচুর করে এবং আমাদের ক্যাশ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা পয়সা লুট করে নিয়ে গেছে। আমরাই সন্ত্রাসীদের বিচার চাই।
নেছারাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মেহেদী হাসান বলেন, ঘটনার সাথে সাথে আমি পুলিশ পাঠিয়েছি। ঘটনার বিষয় মামলা প্রক্রিয়া দিন। সিসিটিভির ফুটেজ পর্যালোচনা করে আসামিদের সনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।