শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সাংবাদিক আলিফ হত্যার বিচার দাবিতে দেওয়ানগঞ্জে প্রতিবাদের ঝড় পিরোজপুরের নেছারাবাদে পাওনা টাকা চাওয়ায় মারপিটের অভিযোগ নেছারাবাদে শারদীয় দুর্গাপূজা -২০২৬ উপলক্ষে ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত “৬৩৬ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য মোতায়েন”। ​নেছারাবাদে নজরু‌লবর্ষ উপলক্ষ্যে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত। নেছারাবাদে নিখোঁজের একদিন পর বিপুল সিকদারের লাশ উদ্ধার নেছারাবাদে বিশেষ অভিযানে ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৪ পিরোজপুরের নেছারাবাদে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক সচেতনতামূলক সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত পিরোজপুর জেলা গোয়েন্দা সংস্হার অভিযানে অবৈধ মাদকদ্রব্য ৩০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার দুইজন। ‎নেছারাবাদ(স্বরূপকাঠি) বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর এমপি। রংপুরে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব: সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ে সাংগঠনিক শক্তির নতুন বার্তাঃ সাংবাদিক নেতা ফরিদ খাঁন

ইকুরিয়া বিআরটিএ অফিসে দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড মোটরযান পরিদর্শক মোঃ হাসান

ইকুরিয়া বিআরটিএ অফিসে দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড মোটরযান পরিদর্শক মোঃ হাসান

বৃন্দাবন মল্লিকঃ  দেশে এমন কোনো বিআরটিএ অফিস নেই যেখানে দুর্নীতি হয় না। ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জের ইকুরিয়া বিআরটিএ অফিসেও চলছে ব্যাপক অনিয়ম। সেখানে দুর্নীতির অন্যতম কারিগর মোটরযান পরিদর্শক মোঃ হাসান । এই চতুর কর্মকর্তা মাত্র কয়েক বছরের চাকরিতে গড়েছেন বিপুল টাকার সম্পদ। আছে ফ্ল্যাট, নিজস্ব গাড়ি।

লাইসেন্স কারীদের সহযোগিতার নামে সেবা প্রত্যাশীদের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে হাতিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা। ড্রাইভিং লাইসেন্স গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সহ বিভিন্ন কাজ করে তিনি হয়েছেন ইকুরিয়া বিআরটিএ অফিসের সম্রাট। তার এ কর্মকাণ্ডের  অর্থ কালেকশনের জন্য আছে নিজস্ব ক্যাশিয়ার। মোঃ হাসান  বিভিন্ন দালালদের মাধ্যমে টাকা বিআরটিএ কর্মচারীর দ্বারা  গ্রহণ করে থাকেন।

অভিযোগ আছে, ইকুরিয়া বিআরটিএ অফিসে বেশিরভাগ মোটরযান পরিদর্শক মোহাম্মদ হাসান কাজ করেছেন নৈশ  প্রহরী শামীমের মাধ্যমে যদিও তিনি আর এখানে নেই তাকে বদলি করা হয়েছে অন্য অফিসে।

সূত্র জানায়, ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য চালকদের ডোপ টেস্ট করাতে হয়। ডোপ টেস্টে পজিটিভ আসলে, অর্থাৎ মাদক সেবনের প্রমাণ পাওয়া গেলে তিনি লাইসেন্স পাবেন না। নৈশ প্রহরী শামিম সেই নিয়মকে পুঁজি করে ভয়াবহ বাণিজ্যে মেতেছিলেন। তিনি ২ থেকে ৩ হাজার টাকার বিনিময়ে ভুয়া ডোপ টেস্ট রিপোর্ট তৈরি করে মাদকসেবীদের লাইসেন্স করিয়ে দেয়। এ সবই করে মোঃ হাসানের ইশারায়।

এছাড়া, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন, মালিকানা পরিবর্তনে নানা রকম ভুল-ত্রুটি বের করে বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে মোঃ হাসান। মালিকানা পরিবর্তনে ট্রাক/বাসে ৫ হাজার টাকা, সিএনজি ২ হাজার টাকা এবং মাইক্রো/প্রাইভেট কার থেকে ১ হাজার ৫শ’ টাকা ঘুষ নেন মোঃ হাসান । আর গাড়ির নাম্বার প্লেটের জন্য ৩/৪ হাজার টাকা, ড্রাইভিংয়ের লার্নার কার্ডের জন্য ১৫০০ থেকে ২ হাজার নিয়ে থাকেন মোঃ হাসান।

সূত্র মতে, মোঃ হাসান দীর্ঘ কয়েক বছর যাবত একই অফিসে কর্মরত থাকায় পুরো দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট তার নিয়ন্ত্রণে সপ্তাহে ২ দিন ড্রাইভিং লাইসেন্সের  হয়। অভিযোগ আছে,মোটরযান পরিদর্শক মোঃ হাসান  সেই পরীক্ষার কাজে অংশ নিয়ে দুর্নীতি করে থাকে। তবে, অফিসের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বিষয়টি অবহিত হয়েও তাকে কিছুই বলে না। কারণ দুর্নীতির টাকা থেকে সকলেই ভাগ পায়।

অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মোঃ হাসান বলেন, এগুলো সব মিথ্যা কথা। স্থানীয় কিছু দালাল এখানে সুবিধা করতে না পেরে বদনাম ছড়াচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুক পেজ