নেছারাবাদে মসজিদের টাকা আত্মসাৎ ও জমি দখলের অভিযোগ সাবেক সচিবের বিরুদ্ধে।
আরিফ বিল্লাহ নেছারাবাদ পিরোজপুর প্রতিনিধি।
পিরোজপুর নেছারাবাদে মসজিদের টাকা আত্মসাৎ ও জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে সাবেক সচিব এম শামসুল হকের বিরুদ্ধে।উপজেলার সোহাগদল ইউনিয়নে
অবস্হিত উত্তর পশ্চিম সোহাগদল জামে মসজিদের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের সাথে আলাপ করলে জানা যায় গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পাট মন্ত্রনালয়ের সাবেক সচিব এম শামসুল হক দীর্ঘদিন যাবৎ উত্তর পশ্চিম সোহাগদল জামে মসজিদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।ৃকোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে মসজিদের আয় ব্যায় কিংবা দান অনুদানের কোন স্বচ্ছ চিত্র তিনি ম্যানেজিং কমিটির অন্যান্য সদস্য এবং মুসল্লীদের কাছে প্রকাশ করেন না।মসজিদ ম্যানেজিং কমিটির সাধারন সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন আমাদের চাচাতো ভাই রনি এবং রানা মসজিদে ৬ শতাংশ জায়গা দান করেছে।যেটি পশ্চিম সোহাগদল মৌজার জেএল নং এস এ ৩৪ এবং বিএস ৩৫ নং দাগে দলিল নং ২২১।মসজিদের সভাপতি শামসুল হক যে বহুতল বিশিষ্ট বাড়িটি করেছেন জায়গা মেপে দেখলাম তার অর্ধেকই মসজিদের ঐ জায়গার ভিতরে।তাকে বার বার সমাধান দেয়ার কথা বললে উল্টো আমাদের মসজিদ কমিটির ৪৭ জনের নামে পিরোজপুর জজকোর্টে একটি হয়রানী মুলক মিথ্যা মামলা দায়ের করে।দেওয়ানী মামলা নং ৩৭/২০২৬।আমরা এর তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাই।
মসজিদ কমিটির সহ সভাপতি এম এ হামিদ জানান ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জেলা পরিষদ থেকে জিএস আইডি-২ এর তিন লক্ষ টাকার বরাদ্দ আসে।সভাপতি সবগুলো টাকা কাউকে না জানিয়ে আত্মসাৎ করেছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক মুসুল্লী বলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক তার বেয়াই হওয়ায় এবং সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম তার স্নেহধন্য হওয়ায় এমন কোন অপকর্ম নাই যে সে করেনি।আপনারা তার সবগুলো প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখেন সেখানে ফ্যাসিষ্ট হাছিনার ছবি দিয়ে সাজানো।তার
প্রতিষ্ঠানের মুল ফটকে এখনো জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু লেখা আছে।
অভিযোগের বিষয় কথা বলতে মসজিদ কমিটির সভাপতি সাবেক সচিব এম শামসুল হকের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।সাবেক সচিবের সকল অপরাধ মুলক কর্মকান্ডের বিচার পূর্বক প্রতিকার চেয়েছে এলাকাবাসী।